October 13, 2019

আমি ধর্মের সংস্কারের কাজ করি। অনেক কথা আছে, যেগুলো আমরা হযরত রাসূল (সঃ)-এর পরবর্তীতে সাহাবাদের দ্বন্দ্বে হারিয়ে ফেলেছি। হযরত রাসূল (সঃ)-এর পরে উমাইয়াদের খেলাফতকাল ছিল ৮৯ বছর। তখন থেকেই আল্লাহর রাসূল (সঃ)-এর হাদিস ধ্বংস শুরু হয়েছে। -হাজরাত শাহ দেওয়ানবাগী

হাজরাত শাহ দেওয়ানবাগী গত ১১/১০/২০১৯ ইং, শুক্রবার, দেওয়ানবাগ শরীফের বাবে রহমতে আয়োজিত মাহফিলে বলেন, আমি ধর্মের সংস্কারের কাজ করি। অনেক কথা আছে, যেগুলো আমরা হযরত রাসূল (সঃ)-এর পরবর্তীতে সাহাবাদের দ্বন্দ্বে হারিয়ে ফেলেছি। হযরত রাসূল (সঃ)-এর পরে উমাইয়াদের খেলাফতকাল ছিল ৮৯ বছর। তখন থেকেই আল্লাহর রাসূল (সঃ)-এর হাদিস ধ্বংস শুরু হয়েছে।আমি ধর্মের সংস্কারের কাজ করি। অনেক কথা আছে, যেগুলো আমরা হযরত রাসূল (সঃ)-এর পরবর্তীতে সাহাবাদের দ্বন্দ্বে হারিয়ে ফেলেছি। হযরত রাসূল (সঃ)-এর পরে উমাইয়াদের খেলাফতকাল ছিল ৮৯ বছর। তখন থেকেই আল্লাহর রাসূল (সঃ)-এর হাদিস ধ্বংস শুরু হয়েছে।আমি ধর্মের সংস্কারের কাজ করি। অনেক কথা আছে, যেগুলো আমরা হযরত রাসূল (সঃ)-এর পরবর্তীতে সাহাবাদের দ্বন্দ্বে হারিয়ে ফেলেছি। হযরত রাসূল (সঃ)-এর পরে উমাইয়াদের খেলাফতকাল ছিল ৮৯ বছর। তখন থেকেই আল্লাহর রাসূল (সঃ)-এর হাদিস ধ্বংস শুরু হয়েছে। সুতরাং, এগুলো ঠিক করা কঠিন ব্যাপার। আমার মোর্শেদ আমাকে বলেছিলেন, “মাহবুব মিয়া, কামেল পীর ইচ্ছা করলে কলা গাছ দিয়ে দেশ হেদায়েত করতে পারেন।” এরপরে আমাকে বললেন, “আপনি ধর্মের সংস্কার করে কিতাব লিখেন।” লিখতে লিখতে এই পর্যন্ত এসেছি, এখনও লিখে যাচ্ছি। তবে আমি কোনো কিতাব পড়ে লিখি না। আমার ক্বালব থেকে যা আসে, তা বলি আবার কোরআন ও হাদিস থেকে সেটির দলিল বের করি। আমার কথার বাস্তবতা খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, তা-হুবহু কোরআনে আছে, হাদিসে আছে।
ইসলামের নাম হলো মোহাম্মদী ইসলাম, কিন্তু সারা দুনিয়ার মুসলমানরা প্রচার করে দ্বীন ইসলাম। দ্বীন মানে ধর্ম, দ্বীন ইসলাম মানে ইসলাম ধর্ম। ইসলাম ধর্মটা কি মুয়াবিয়া এনেছে ? কে এনেছে ধর্মটা ? হযরত রাসূল (সঃ) হেরা গুহায় ১৫ বছর মোরাকাবা করে এই মোহাম্মদী ইসলামটা এনেছেন। এই মোহাম্মদী ইসলাম থেকে মোহাম্মদ বাদ দিয়ে মুয়াবিয়ার চক্র দ্বীন ইসলাম বানিয়েছে। এখন আপনাদের দায়িত্ব হলো ‘মোহাম্মদী ইসলাম’ প্রচার করা।
আমি নিরিবিলি আমার কাজ করছি। আগে হযরত রাসূল (সঃ)-এর ধর্মটাকে কতটুকু এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, চেষ্টা করে দেখি। আপনাদের কাছে আমার বিশেষ বলার বিষয় হলো, আমাদের সবার চেষ্টা করতে হবে হযরত রাসূল (সঃ)-এর এই মোহাম্মদী ইসলামটা যেন ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে পারি, মানুষকে দাওয়াত করে আশেকে রাসূল বানাতে পারি। আশেকে রাসূল যত বেশি হবে, ফেতনা-ফ্যাসাদ তত কমে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *