Breaking News
October 22, 2019 - যোগ্যতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হলে এমপিও বাতিল : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
October 22, 2019 - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘চলাফেরার সময় পথচারীদের যেমন দায়িত্ব আছে, তেমনি চালকদেরও দায়িত্ব আছে।
October 20, 2019 - যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
October 20, 2019 - মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
October 20, 2019 - ওমর ফারুককে ছাড়াই গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুবলীগের বৈঠক শুরু।
October 20, 2019 - ‘জনগণ ভোট দিতে পারেনি’ মেননের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
October 20, 2019 - যুবলীগের সপ্তম কংগ্রেস বিষয়ে বৈঠকে আজ বিকেলে বসছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
October 19, 2019 - আওয়ামী লীগের সম্মেলনের ব্যাপারে কোনো আপস নেই, এখানে পরিবর্তন হবে, নতুন মুখ আসবে। -সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
October 19, 2019 - যেখানে অনিয়ম, দুর্নীতি হচ্ছে সেখানেই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এসব কথা বলেছেন।
October 19, 2019 - জঙ্গিবাদ নির্মূলে কাজ চললেও ঝুঁকি রয়ে গেছে: বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম।
October 19, 2019 - অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
October 18, 2019 - ভুল বোঝাবুঝির কারণে সীমান্তে গুলিবিনিময়, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
October 17, 2019 - মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামী রবিবার যুবলীগের সম্মেলনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিবেন।

কক্সবাজার জেলা কারাগারটি এখন ইয়াবা কারবারিদের রাজস্থান !

Spread the love

এইচ এম আমান জেলা প্রতিনিধিঃ কক্সবাজার জেলা কারাগারে লাগামহীন অনিয়ম-দুর্নীতির ঘটনা ঘটছে
বলে অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম-দুর্নীতির মাত্রা এমনই পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কারাগারে আটক বন্দীদের নিকট ১ কেজি গরুর কাঁচা মাংশ বিক্রি করা হচ্ছে ১ হাজার ৭০০ টাকায়। সেই সাথে কাঁচা মুরগির মাংশ বিক্রি করা হচ্ছে কেজি প্রতি ৬০০ টাকা করে। তার উপর মাংস রান্না করে দেয়ার জন্য আলাদা বখশিস আদায় করা হয়। এত উচ্চ দামের মাংসের ক্রেতারা হচ্ছে আতœসমর্পণ করা কোটিপতি কারাবন্দী
ইয়াবা কারবারিরা। সাধারণ বন্দীদের কপালে এ রকম দামি মাংস জুটে না। কারাগারের বন্দীদের
সাথে ৫ মিনিট কথা বলতে আদায় করা হয় জনপ্রতি ১২০০ টাকা করে। এর পরবর্তী মিনিট নেয়া হয় ১০০/ টাকা করে। কারাগারের ভিতর থাকা ক্যান্টিন ব্যবসায় প্রতি মাসে কোটি টাকাও লাভ হয়। এ ক্যান্টিনেই ২ টাকার শপিং ব্যাগ বিক্রি করা হয় প্রতি পিস ২০ টাকা হিসাবে। কারাগারে ইয়াবা কারবারি বন্দীদের জন্য যেন এক ভিন্ন জগত। কারবারিদের যেহেতু টাকার অভাব নেই সেহেতু তারা যখন যেটা চায় তখন সেটাই তাদের হাতের নাগালে আসে। বলতে গেলে ক·বাজারের কারাগারটি যেন ইয়াবা কারবারিদের একটি রাজস্থান। দেশের প্রতিটি কারাগারে দুর্নীতি-অনিয়ম চলে আসলেও ক·বাজার
জেলা কারাগারের সা¤প্রতিক চিত্র ভিন্ন রকমের। কারাগার সুত্রে জানা গেছে, ক·বাজার জেলা কারাগারে বন্দী রয়েছে ৪ হাজার ২৬০ জন। এসব বন্দীর মধ্যে শতকরা ৭০ জন অর্থাৎ তিন হাজারেরও বেশী রয়েছে ইয়াবা কারবারি। কারাকর্মীরা ইয়াবা কারবারিদের টার্গেট করে টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আর এমন কাজের খেসারত দিতে হচ্ছে অন্যান্য অপরাধে জড়িত সহ¯্রাধিক বন্দীদের। বিশেষ করে গত ১৬ ফেব্রয়ারি ¯^রাষ্ট্র মন্ত্রীর উপস্থিতিতে আতœসমর্পণ করা ১০২ জন কোটিপতি ইয়াবা কারবারি কারাগারে অবস্থানের পর থেকেই কারাভ্যন্তরের পরিস্থিতি বদলে গেছে। আগে কারাভ্যন্তরে সিট বেচাকেনার বিষয়টি অনেকটাই সহনশীল ছিল। কিন্তু ইয়াবা কারবারিদের কারনে এখন অন্যান্য মামলার বন্দীরা আর কোন সিট কিনে থাকতে পারছে না। কেননা কারবারিরা যে টাকা দিয়ে সিট কিনে কারাগারের ভিতর থাকতে পারছেন তা অন্যান্য বন্দীদের কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। কারাগারে পানির অভাব হওয়ায় আতœসমর্পণ করা টেকনাফের হ্নীলা গ্রামের বাসিন্দা এক ইয়াবা কারবারি নিজেই ৭/৮ লাখ টাকা খরচ করে ২ টি গভীর নলকুপও স্থাপন করে দিয়েছে। বিনিমেয় ওই কারবারি কারাগারের ২০টি ওয়ার্ডের যেখানেই ইচ্ছা সেখানেই দিনরাত কাটাতে পারে। নলকুপ স্থাপনকারি কারবারির কদরও কারাগারে এখন অন্যরকমের। তিনি কারার¶ীদের নিকটও বিশেষ মর্যাদা পেয়ে আসছে। কেননা নলকুপের পানি নিয়েও চলছে ভাল বাণিজ্য। জেলা কারাগারের ভিতর বর্তমানে ২০ টি ওয়ার্ড রয়েছে। এসব ওয়ার্ড মিলে রয়েছে ৫ টি ক্যান্টিন। তদুপরি ওয়ার্ডের বাইরে কারা ফটকেও রয়েছে আরো একটি ক্যান্টিন। ক্যান্টিনগুলোই ম‚লত কারাবন্দী মানুষগুলোকে জিন্মি করে টাকা উপার্জনের বড় ফন্দী হিসাবে ব্যবহ্রত হচ্ছে। কারাগারের পুরানো বিশ্বস্ত বন্দীদের সহায়তায় র¶ীরাই ক্যান্টিনগুলো নিয়ে গলাকাটা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। খাবার দাবার থেকে শুরু করে একজন মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় যাবতীয় পণ্যই ক্যান্টিনে থাকে। তবে দাম বাইরের বাজারের ৩/৪ গুণ বেশী। বন্দীদে ¯^জনরা বাইর থেকে কোন পণ্য নিয়ে ভিতরে দিতে পারবে না। যাই দিতে হয় তার সবই কারাগারের ক্যান্টিন থেকে কিনে দিতে হবে। এসব বিষয় নিয়ে বেসরকারি কারা পরিদর্শক এবং ক·বাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফার সাথে আলাপ করলে তিনি বলেন, আমার সময়ের অভাবে কারাগারে তেমন যাওয়া হয় না। তবে যে সব অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে এসব অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমি অবশ্যই কারাগারে গিয়ে এসব অন্যায়-অবিচার তদন্ত করে জোরালো প্রতিবাদ করব। অপরদিকে বেসরকারি কারা পরিদর্শক মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, আমাদের বেসরকারি কারা পরিদর্শকের তালিকায় রেখে কারাগারের অভ্যন্তরে ফ্রিষ্টাইলে আকাম-কুকাম চলবে তা কিছুতেই হতে দেব না। আমি এসবের ঈঙ্গিত পেয়েই কারাগারের তত্বাবধায়ককে কিছু কিছু ¶েত্রে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি এখনো কোন ব্যবস্থা নেননি। বৃহষ্পতিবার ঈদের পরের দিন কারাগারে এত বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর ভীড় জমেছিল যে, এদিন দর্শনার্থীদের নিকট থেকে কারার¶ীরা যে যেভাবেই পেরেছে টাকা আদায় করে নিয়েছে। এ কারনেই ক·বাজার কারাগারের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিনের চলমান অনিয়ম-দুর্নীতির কথা চাওর হয়ে পড়ে। ঈদের পরের দিন বৃহষ্পতিবার কারাগারে অন্তত ৬/৭ হাজার দর্শনার্থীর ভীড় জমেছিল বলে জানা গেছে। এদিন বন্দীদের সাথে দেখা করে ভাত-তরকারির একটি ক্যারিয়া ঢুকাতেও কারা কর্তৃপ¶ আদায় করেছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। ক·বাজার জেলা কারাগারের তত্বাবধায়ক বজলুর রশীদ আখন্দ দাবি করেছেন, অভিযোগ সত্য নয়। বৃহষ্পতিবার কয়েক হাজার দর্শনার্থী ছিল কারাগারে। ওই সময় আমি কিছু সময়ের জন্য বাইরে ছিলাম। এ কারনে এ সময় কিছু অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে। তাই এসব অভিযোগের বিষয়ে আমি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *