September 28, 2019

মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর সাবেক মহাসচিব প্রশাসন এমদাদ হোসেন মতিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর সভাপতি মেহেদী হাসান।

বিশেষ প্রতিবেদনঃ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর সাবেক মহাসচিব প্রশাসন এমদাদ হোসেন মতিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর সভাপতি মেহেদী হাসান। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর সাবেক মহাসচিব প্রশাসন এমদাদ হোসেন মতিন এখন কোথায় ? এই দুর্নীতিবাজ মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর একটি অবৈধ কমিটির অনুমোদন দেন। দুর্নীতিবাজ মতিন ৫০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আতিক বাবু নামের এক অ-মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে সভাপতি করে একটি অবৈধ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তার অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে মামলা চলমান রয়েছে এবং এ মামলার বাদী হিসেবে “জনাব মেহেদী হাসান, সভাপতি – মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় কমিটি” বলেও দাবি করেছেন জনাব মেহেদী হাসান। জনাব মেহেদী হাসান বলেন, এমদাদ হোসেন মতিন বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস, সাদেক হোসেন খোকা ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এর একান্ত ঘনিষ্ঠ হওয়ার ফলে দির্ঘ‌দিন যাবৎ ঢাকা শহরের বিভিন্ন হোটেলে মেয়ে ও মদ সরবরাহ করা, এবং জুয়া সহ নানা অপকর্ম পরিচালনার হোতা এই দুর্নীতিবাজ মতিন। মতিন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর মহাসচিব হয়ে জামাত, বিএনপি ও যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সুকৌশলে কাজ করেছে। যুদ্ধাপরাধী মামলার সাক্ষিদের সাক্ষ্য দানে বিরত থাকার জন্য তাদের পক্ষে টাকা দেওয়ার জন্য মধ্যস্ততা কারি এমদাদ হোসেন মতিন, যার জলন্ত উদাহরণ মোহাম্মদপুর এর বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচ্ছু জালাল। এ বিষয়ে মতিন এর বিরুদ্ধে জালাল এর বক্তব্য অতীতে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল এ তার অপকর্ম সম্পর্কে কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জনাব ইসমত কাদীর গামা, প্রকৌশলী মোঃ ওয়াহিদুর রহমান, মোঃ সালাউদ্দিন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) মাহমুদুল হাসান, প্রফেসর ডাঃ আব্দুস সালাম, মহাসচিব(কল্যাণ) মোঃ আলাউদ্দিন প্রমূখের সহিত আলাপ করলে এর সত্যতা পাওয়া যাবে বলে জানান জনাব মেহেদী হাসান।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড এর সভাপতি জনাব মেহেদী হাসান
দুর্নীতিবাজ এমদাদ হোসেন মতিন এর দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *