Breaking News
November 13, 2019 - ১৬ ডিসেম্বর ছেঁড়া-ফাটা পতাকা উড়ানো যাবে না’ নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
November 13, 2019 - সরকারি কর্মচারীসহ অপরাধী যেই হোক দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে অনুসন্ধান করে তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। -প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
November 13, 2019 - ভিসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
November 13, 2019 - শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আরো ২৩ উপজেলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
November 12, 2019 - ট্রেন দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন।
November 11, 2019 - রোহিঙ্গারা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
November 11, 2019 - আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রসঙ্গে আমি বলতে চাই, নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, এ অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যও হুমকিস্বরূপ। -প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
November 10, 2019 - ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলা পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
November 10, 2019 - ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ পরবর্তী নানা ধরনের উদ্ধার কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।
November 10, 2019 - আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবি (স.) বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশারি সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল হযরত মোহাম্মদ (স.) এর শুভ জন্ম দিন।
November 9, 2019 - জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ১৫ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা।
November 9, 2019 - বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা বৃদ্ধির আহ্বান আন্তর্জাতিক উপ-কমিটির মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ।
November 7, 2019 - ভিসির দুর্নীতির প্রমাণ দিতে না পারলে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’নেয়া হবে বলেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, বিদেশে টাকা পাচার, দখলসহ বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ৭০ জন প্রভাবশালীর তালিকা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে রয়েছে।

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক : টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, বিদেশে টাকা পাচার, দখলসহ বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ৭০ জন প্রভাবশালীর তালিকা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে রয়েছে। শিগগিরই আরো ৩০ জনের নাম আসছে। নিয়ে দুদকের হাতে প্রায় ১০০ জনের নাম আসবে বলে একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। তাদের আইনের আওতায় আনার কাজও চলছে।

তারা যাতে সম্পদ স্থানান্তর-হস্তান্তর, পাচার বা বিক্রি করতে না পারে সেজন্য নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ক্যাসিনো-দুর্নীতিবিরোধী চলমান অভিযানে গ্রেফতার কৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তদন্ত করে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষসহ একাধিক সংস্থা গতকাল পর্যন্ত ৭০ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পেয়েছেন।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে দুদকের তপশিলভুক্ত অপরাধের মধ্যে আছে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ। তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন সংস্থাটি। এছাড়া অন্যান্য সংস্থাও অনুসন্ধান-তদন্তে একযোগে কাজ করছেন। দুদকের এক মহাপরিচালকের তত্ত্বাবধানে ও এক পরিচালকের নেতৃত্বে সাত সদস্যের টিম এদের অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে অনুসন্ধান করছেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক কর্মকর্তা বলেন, তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

দুদকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, গতকাল পর্যন্ত আসা দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কাজ শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হবে। এ তালিকা আরো দীর্ঘ হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, দুদক এখন আর নখ-দন্তহীন বাঘ নয়। দুদক এখন একটি শক্তিশালী স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। দুদক সূত্রে জানা গেছে, যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তাদের অবৈধ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক করার জন্য আদালতে আবেদন করা হচ্ছে।

এরই মধ্যে জি কে শামীম ও তার স্ত্রী, খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, গেন্ডারিয়ার এনামুল হক এনু, রুপন চৌধুরী, কারা অধিদপ্তরের ডিআইজি বজলুর রশিদের অবৈধ সম্পদ ক্রোকের অনুমতি চেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তারা কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন। জানা গেছে, প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে জি কে শামীম ও খালেদসহ ছয় জনের কাছে ৩৪০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পেয়েছেন দুদক।

এর মধ্যে জি কে শামীম ও তার স্ত্রীর নামে ২৯৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুদক। এছাড়া খালেদের ৫ কোটি টাকার ও এনামুল হক এনু এবং তার ভাই রুপন চৌধুরীর ৩৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ আছে। একইভাবে কারা অধিদপ্তরের ডিআইজি বজলুর রশিদের ৩ কোটি টাকার সম্পদের সন্ধান পেয়েছেন কমিশনের কর্মকর্তারা। এদের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। দু-একদিনের মধ্যে আরো পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। তাদের কাছেও বিপুল অঙ্কের টাকার অবৈধ সম্পদ আছে—এমন তথ্য পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সূত্র জানায়, প্রথম ধাপের তালিকায় আছেন—যুবলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, এনামুল হক আরমান, জাকির হোসেন, ইসমাইল, জি কে শামীম, সেলিম প্রধান, আনিসুর রহমান আনিস, গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এনামুল হক এনু, তার ভাই রুপন, মোহামেডান ক্লাবের পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, কৃষক লীগের শফিকুল আলম ফিরোজ, ডিআইজি (কারা) বজলুর রশিদ, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান ওরফে পাগলা মিজান, মোমিনুল হক সাঈদ (পলাতক), তারেকুজ্জামান রাজিবসহ ৭০ জন। এছাড়া এমপি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারি কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী, শিল্পপতিসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার কর্মীও রয়েছেন এতালিকায়।

ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে দুদকের চিঠি: সরকারদলীয় সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, জাতীয় সংসদের হুইপ শামসুল হক চৌধুরীসহ ৫০ জনের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ প্রসঙ্গে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের কাছে প্রেরিত চিঠিতে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। শুধু সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআর যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করেছে তাদের তালিকা দুদক থেকে চাওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *