Breaking News
November 19, 2019 - সংযুক্ত আরব আমিরাতে চার দিনের সরকারি সফর শেষে আজ মঙ্গলবার রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
November 17, 2019 - আলোচিত গুলশানের হলি আর্টিজান জঙ্গি হামলার মামলার রায় আগামী ২৭ নভেম্বর।
November 17, 2019 - দুবাই এয়ার শোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
November 17, 2019 - সরকারী চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবসরের বয়স ৬০ হবে।
November 17, 2019 - আজ থেকে নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর হবে: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
November 13, 2019 - ১৬ ডিসেম্বর ছেঁড়া-ফাটা পতাকা উড়ানো যাবে না’ নির্দেশনা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
November 13, 2019 - সরকারি কর্মচারীসহ অপরাধী যেই হোক দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে অনুসন্ধান করে তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। -প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
November 13, 2019 - ভিসি খন্দকার নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
November 13, 2019 - শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আরো ২৩ উপজেলা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
November 12, 2019 - ট্রেন দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সতর্ক থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশ দিয়েছেন।
November 11, 2019 - রোহিঙ্গারা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের জন্য হুমকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
November 11, 2019 - আঞ্চলিক নিরাপত্তার প্রসঙ্গে আমি বলতে চাই, নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, এ অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যও হুমকিস্বরূপ। -প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
November 10, 2019 - ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলা পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন : তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ও স্বেচ্ছায় নিজভূমিতে প্রত্যাবাসনই সমাধান: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মিয়ানমারের নাগরিকদের নিরাপত্তা মর্যাদার সঙ্গে তাদের নিজভূমিতে স্বেচ্ছায় ফিরে যাওয়াই সংকটের একমাত্র সমাধান। এই সংকট কেবল বাংলাদেশে নয়, এর বাইরেও অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার বিকেলে বাকু কংগ্রেস সেন্টারে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে সমসাময়িক বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সমন্বিত ও পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নিশ্চিতে ‘বান্দুং নীতিমালা’ সমুন্নত রাখা বিষয়ে এক সাধারণ আলোচনায় ভাষণে একথা বলেছেন।

আর্থ-সামাজিক সাফল্য সত্ত্বেও বাংলাদেশ বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন ও রোহিঙ্গা সংকট এই দু’টি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট একটি রাজনৈতিক সংকট এবং এর মূল গভীরভাবে মিয়ানমারে প্রোথিত। তাই এর সমাধানও মিয়ানমারের অভ্যন্তরেই খুঁজতে হবে।’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট কেবল বাংলাদেশে নয়, এর বাইরেও অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে ‘আমরা বর্তমানে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছি। এটির আমাদের দেশ এবং এর বাইরেও অস্থিতিশীলতা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা এই সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা কামনা করছি।’

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় এক কোটির বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে ভারত আশ্রয় দেওয়ার কথা স্মরণ করেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যার পর বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি না পাওয়ায় তিনি এবং তার ছোটবোন শেখ রেহানাকে ছয় বছর নির্বাসনে কাটাতে হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দায় খুবই নগণ্য হওয়া সত্ত্বেও দেশটি জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাবে প্রবলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোকে তাই অবশ্যই জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের প্রতি পূর্ণ সম্মান জানাতে হবে।

শেখ হাসিনা শান্তি বজায় রাখতে ন্যামের কার্যকরি ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে জাতিসংঘ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা মোকাবেলায় দায়িত্ব পালন করে। তবে শান্তি রক্ষা, বজায় রাখা এবং সংহত করতে ন্যাম সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি আরো বলেছেন, ‘যেকোনো অঞ্চলের যেকোনো দেশকে রক্ষায় শক্তি ও প্রভাব ব্যবহারে আমাদেরকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নিরস্ত্রীকরণ ও পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ সম্পর্কে বাংলাদেশের অবস্থানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি, নিরস্ত্রীকরণ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য একটি হাতিয়ার। বাংলাদেশ নিরস্ত্রীকরণের বিকাশে সবসময় সক্রিয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং এর শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের প্রতিও দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ।

Leave a reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *